আবারও বাঁচাল সুন্দরবন

প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ভয়ংকর আক্রমণের মধ্যে সুন্দরবনই প্রধান ভরসা উপকূলের মানুষদের। এই সুন্দরবনের জন্য বারবার বাঁচে বহু লক্ষ মানুষের জীবন ও সম্পদ। অসংখ্য শিশু, নারী, পুরুষ বেঁচে থাকার সুযোগ পান। ‘উন্নয়নের’ নামে বাংলাদেশ ও ভারত সরকার আর তাদের দেশি-বিদেশি সহযোগীরা এই সুন্দরবনকেই নাই করে দিতে উদ্যত। রামপালসহ সুন্দরবনবিনাশী শত প্রকল্প ঘিরে ফেলেছে এই

প্রাকৃতিক অসাধারণ রক্ষাবর্মকে।

৯ নভেম্বর বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল আবারও প্রত্যক্ষ করল সুন্দরবনের শক্তি। যারা দেখেও…

বিস্তারিত

ওস্তাদের রকমফের

মা-বাবার বাইরে আমার জীবনের প্রথম শিক্ষক বা ওস্তাদ আমাদের পাড়ার বিখ্যাত মাটির মসজিদের ইমাম সাহেব। তাঁকে আমরা ওস্তাদজি বলেই ডাকতাম। এখন কয়েকতলা ভবন এবং সুউচ্চ মিনারের মসজিদ হলেও তখন সেটা আসলেই মাটির মসজিদ ছিল। মাটির ঘরে মূল মসজিদ, আর সামনে ছিল খোলা জায়গা, এক পাশে পুকুর। খোলা জায়গা, পুকুর আর নেই। বহুতল ভবনের মধ্যে যথারীতি হারিয়ে গেছে।স্কুলে ভর্তি হওয়ার আগে থেকেই এ মসজিদে গেছি ওস্তাদজির কাছে। আরো কয়েকজনের সঙ্গে তখন…বিস্তারিত

সর্বজন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপদ

সর্বজন বা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ, অর্থ নয় মেধার ভিত্তিতে সহজে প্রবেশযোগ্য, সর্বজনের স্বার্থে এবং তাদের নিয়ন্ত্রণে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার মুক্ত পরিবেশ তৈরির প্রতিষ্ঠান হওয়ার কথা। কিন্তু বিভিন্ন সরকারের ভূমিকা দেখে মনে হয়, এসব বিশ্ববিদ্যালয়কে তাদের কাঙ্ক্ষিত ভূমিকা পালন করতে দেওয়ার বদলে এখানে সরকারের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাই লক্ষ্য। চিন্তা ও বুদ্ধিবৃত্তির জগৎ, তারুণ্য, স্বাধীন মত—এগুলোর প্রতি ভয় ছাড়া এর আর কী কারণ থাকতে পারে। এ কারণেই সরকারনির্বিশেষে সরকারি…বিস্তারিত

উন্নয়নে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

সার্বক্ষণিক ভয়ভীতি, সন্ত্রাস ও জোরজবরদস্তি উপেক্ষা করে গত ২৭ আগস্ট সন্ধ্যায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের এক বিশাল মশাল মিছিল হয়। তাতে কয়েকজন শিক্ষকও যোগ দেন। যে আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ক্যাম্পাসে সভা, সমাবেশ, মিছিল, আলোচনা সভা ও বিতর্ক বাড়ছে, তার মূল দাবি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিকল্পিত, অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ উন্নয়ন নিশ্চিত করা। এর কারণ ‘মাস্টারপ্ল্যান’ আর ‘অধিকতর উন্নয়ন পরিকল্পনা’র নামে সর্বজনের টাকা লুট এবং বিপজ্জনক নির্মাণকাজে কতিপয় গোষ্ঠীর তৎপরতা দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা…বিস্তারিত

ভারতের কারা আমাদের বন্ধু

বাংলাদেশের অর্থনীতি-রাজনীতির গতিমুখ নির্ধারণে এখন ভারতের ভূমিকা, তার রাজনীতি এবং অর্থনীতির অগ্রাধিকার খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা নির্ধারকও। এতটা গুরুত্ব থাকলেও ভারত নিয়ে বাংলাদেশে নির্মোহ আলোচনা-বিশ্লেষণ করা খুবই কঠিন। নানারকম বিধিনিষেধ ছাড়াও সমাজে বিদ্যমান প্রধান দুটি চিন্তার ধারা ভারত নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ আলোচনার পথে বাধা সৃষ্টি করে। একদল ভারতকে সময়-শাসক-দল-মতাদর্শ-নির্বিশেষে ‘বন্ধু’ বিবেচনা করে, অন্য দল ভারতকে সময়-শাসক-দল-মতাদর্শ-নির্বিশেষে ‘শত্রু’ বিবেচনা করে। এ দুই দলই যুক্তিতর্কের বাইরে এক কঠিন দেয়ালে নিজেদের চিন্তা…বিস্তারিত

সাম্প্রদায়িকতা ও অপরবিদ্বেষ: এপার-ওপার

কোনো দেশে বৈষম্য ও নিপীড়নমূলক ব্যবস্থাই যদি প্রধান থাকে, তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতি-ধর্ম-বর্ণের মানুষও শ্রেণিগত লিঙ্গীয় বৈষম্য ও নিপীড়নের শিকার হয়। যারা সংখ্যালঘু জাতি, ধর্ম ও বর্ণের মানুষ, তারা এসব সমস্যার মধ্যে তো থাকেই; নিজেদের জাতিগত, বর্ণগত ও ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে তারা আরও বাড়তি চাপের শিকার হয়। আবার একই ধর্মের মধ্যেও নানা ভাগ থাকে; সংখ্যায় গরিষ্ঠতা না থাকলেও ক্ষমতার জোরে ক্ষুদ্র গোষ্ঠী বৃহৎ জনসংখ্যার ওপর চড়াও হতে পারে। এর বড় দৃষ্টান্ত…বিস্তারিত

সরকার কী কী করতে পারত

আপেক্ষিক শক্তি আর আগ্রহ যেখানে বেশি, ডেঙ্গু রোগ নিয়ে সরকারের বিভিন্ন শাখা তা-ই করছে। তা হলো ঘটনা যা-ই ঘটুক, জনদুর্ভোগ যা-ই হোক, তা অস্বীকার করা, স্ববিরোধী উদ্ভট কথাবার্তার পাশাপাশি নিজেদের কল্পিত বা অতিরঞ্জিত সাফল্যের অবিরাম প্রচার। সরকারের এই প্রবণতা নতুন নয়। সড়ক ‘দুর্ঘটনা’, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, দুধ-খাদ্যে বিষ, নকল; বন, নদী বিনাশ, ব্যাংক লুট, ক্রসফায়ারে হত্যা, সীমান্ত হত্যা ইত্যাদি সব ক্ষেত্রে এই একই ঘটনা দেখছি। এই ধারাতেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বেতার, টিভি…বিস্তারিত

নিপীড়নে শিক্ষার্থীরা ও শিক্ষকের দায়

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হতে যাচ্ছে, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। কিন্তু কী অপেক্ষা করছে তাদের জন্য? ভর্তি পরীক্ষা কতটা ভোগাবে? উত্তীর্ণ হলে কেমন হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ? তথাকথিত গণরুম আর গেস্টরুমের নির্যাতনশালা কি অব্যাহত থাকবে?কয়েক দশক আগে হলে থাকার আগ্রহ নিয়েই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলাম। ভর্তি হয়ে সোজা হল অফিসে গিয়েছি, সঙ্গে সঙ্গে রুম পেয়ে তা ঠিকঠাক করে থাকা শুরু করেছি। এর মধ্যে কোনো বাধা ছিল না,…বিস্তারিত

ইউনেসকো নয়, মূল দায় সরকারের

সুন্দরবনবিনাশী রামপাল প্রকল্প নিয়ে ইউনেসকোর আপত্তি-অনাপত্তি নিয়ে বহুদিন থেকেই দেশে-বিদেশে আলোচনা হচ্ছে। ইউনেসকো জাতিসংঘের একটি প্রতিষ্ঠান, পুরো নাম জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা। ১৯৪৫ সালের নভেম্বরে লন্ডন সম্মেলনে ইউনেসকো প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়। আর এর একটি শাখা সংস্থা হিসেবে বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৬ সালে। এর দায়িত্ব নির্ধারিত হয় বিশ্বের সব দেশে যেসব প্রাকৃতিক, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পদ সারা বিশ্বের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, সেগুলো চিহ্নিত করা ও তার সংরক্ষণে…বিস্তারিত

সুন্দরবনবিনাশী সব প্রকল্প বাতিল করুন

৩০ জুন থেকে আজারবাইজানের বাকুতে ইউনেস্কোর যে অধিবেশন শুরু হয়েছে, তা বাংলাদেশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই অধিবেশনে সিদ্ধান্ত হবে, প্রাকৃতিক বিশ্বঐতিহ্য হিসেবে চিহ্নিত বাংলাদেশের সুন্দরবনকে বিপদাপন্ন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে কি-না। এভাবে চিহ্নিত করলে বিশ্বদরবারে এটাই প্রমাণিত হবে যে, এ দেশের মানুষ দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক বিশ্বঐতিহ্য রক্ষায় সমর্থ নয়। প্রমাণিত হবে, এ দেশের সরকারের কাছে বিশ্বঐতিহ্য সুন্দরবন রক্ষার চেয়ে ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসা দেওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ।…বিস্তারিত

Page 4 of 29