কে জিতবে কে হারবে?

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনকালীন সরকার কেন সব দৃঢ়তা আর প্রশাসনিক শক্তি নিয়ে একতরফা নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে? এর কারণ হতে পারে একটাই, আওয়ামী লীগ ধারণা করছে, যদি তারা সবার অংশগ্রহণে নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য কোনো আপসে যায়, তাহলে অন্তত প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে শেখ হাসিনাকে সরে যেতে হবে। এটা মেনে নিতে আওয়ামী লীগের অসুবিধা কী? অসুবিধা একটাই, সে রকম পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে জিতে আসার ব্যাপারে ভরসা পাচ্ছে না। যদি জনসমর্থন…বিস্তারিত

টিকফা চুক্তি: বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী বিপদ ও শৃঙ্খল

জনগণের সম্মতি না নিয়ে, নির্বাচিত সংস্থায় কোন আলোচনা না করে, উত্থাপিত কোন প্রশ্নের মীমাংসা না করে, নির্বাচনকালীন সরকারের স্বঘোষিত কর্তব্যপরিধি লংঘন করে সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সাথে টিকফা চুক্তি স্বাক্ষর করলো। এই চুক্তির মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে গিয়ে সরকার বাংলাদেশকে দীর্ঘমেয়াদী বিপদ ও শৃঙ্খলে ঠেলে দিলো। কেন সে বিষয়টিই এখানে সংক্ষেপে আলোচনা করছি।টিকফা বা ‘ট্রেড এন্ড ইনভেস্টমেন্ট কোঅপারেশন ফোরাম এগ্রিমেন্ট’ নামের চুক্তি এতোদিন টিফা বা ‘ট্রেড এন্ড ইনভেস্টমেন্ট…বিস্তারিত

টিকফা চুক্তি কেন নতুন শৃঙ্খল?

যদিও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথা অনুযায়ী, বর্তমান নির্বাচনকালীন সরকারের কোনো নীতিগত সিদ্ধান্তে যাওয়ার কথা নয়, কোনো চুক্তি স্বাক্ষরও করার কথা নয়, তবু ২৫ নভেম্বর এই নির্বাচনকালীন সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টিকফা বা ‘ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কো-অপারেশন ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট’ চুক্তি স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে। এটা এমন এক চুক্তি, যা দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতিকে দীর্ঘ মেয়াদে আরও কঠিন শৃঙ্খল, আর্থিক ক্ষতি ও বাধ্যবাধকতার মধ্যে নিয়ে যাবে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ, চাপ ও খসড়া দিয়েই চুক্তিটি…বিস্তারিত

মওলানা ভাসানীর ‘খামোশ’

‘মওলানা ভাসানী’ বলে যাকে আমরা চিনি সে ব্যক্তির প্রকৃত নাম তা নয়। তাঁর আসল নামে এই দুই শব্দের কোনটিই ছিল না। মওলানা ও ভাসানী এই দুটো শব্দই পরবর্তীসময়ে তাঁর অর্জিত পদবী বা বিশেষণ। ‘মওলানা’ তাঁর ধর্মবিশ্বাস ও চর্চার পরিচয়, আর ‘ভাসানী’ সংগ্রাম ও বিদ্রোহের স্মারক। তাঁর জীবন ও তৎপরতা এমনভাবে দাঁড়িয়েছিলো যাতে পদবী আর বিশেষণের আড়ালে তাঁর আসল নামই হারিয়ে গেছে। আসলে তাঁর নাম ছিল আবদুল হামিদ খান। ডাক নাম…বিস্তারিত

বিষচক্রের ফাঁদে বাংলাদেশ

দুই ধরনের বিষচক্রের ফাঁদে পড়েছে বাংলাদেশ। দুটি চক্র আবার নানাভাবে পরস্পর যুক্ত। একটি চক্র দেখা যায় প্রধানত অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে, অন্যটি রাজনৈতিক বলয়ে। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের বিষচক্র হলো: চুরি-দুর্নীতি-দখল থেকে রাজনৈতিক ক্ষমতা, সেখান থেকে আরও দখল-চুরি-দুর্নীতি, এ থেকে আরও বড় ক্ষমতার প্রভাব, সেখান থেকে চুক্তি কমিশন, তা থেকে চোরাই টাকা, আরও দখল-লুণ্ঠনের ক্ষমতা ইত্যাদি। এটি চক্র হলেও একই বৃত্তে আটকে থাকে না। ক্রমান্বয়ে তা বাড়তে থাকে এবং আরও বেশি মাত্রায় লুট ও…বিস্তারিত

কী হবে বাংলাদেশের?

কী হবে বাংলাদেশের?আতংকের সমাজ, দখলদার অর্থনীতি, জমিদারী রাজনীতি এটাই বর্তমান সময়ের প্রধান পরিচয়। এর মধ্যেই আমরা ‘আছি’। বর্তমানে সারাদেশে দুর্নীতি দখলদারিত্ব, নানা অগণতান্ত্রিক আইনী বেআইনী তৎপরতা, সন্ত্রাস-টেন্ডারবাজি, নিয়োগ বাণিজ্য ইত্যাদি বিস্তারের সুবিধাভোগী খুবই নগণ্য। যদি সামনে বিএনপি জামায়াত বিশেষত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয় না থাকতো তাহলে যারা আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে তাদের ক্ষোভেই সরকার টালমাটাল হতো। আওয়ামী লীগ সরকারের জন্য এটাই আত্নরক্ষার প্রধান অবলম্বন। ক্ষুব্ধ সমর্থকদের ধরে রাখায় বিএনপির-জামাতের ভয়, যুদ্ধাপরাধীদের অস্তিত্ব তাদের…বিস্তারিত

বিদ্যুতের বহু বিকল্প আছে, সুন্দরবন ধ্বংস মানে অরক্ষিত বাংলাদেশ

বিশেষজ্ঞমত ও জাতীয় জাগরণ উপেক্ষা করে গত ৫ অক্টোবর, নির্ধারিত তারিখের ১৭ দিন আগে, ২৫০ কিমি দূর থেকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী যৌথভাবে রামপালে সেই ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের ভিত্তি ফলক উন্মোচন করেছেন। বলাবাহুল্য, এসব ‘চালাকি’ সরকারের শক্তির নিদর্শন নয়, বরং তাদের নৈতিক পরাজয়ের লক্ষণ। এটা প্রমাণ করে যে, বৈজ্ঞানিক তথ্য যুক্তির সামনে দাঁড়ানোর কোন তথ্য যুক্তি সরকারের নেই; গণরায়ের সামনে দাঁড়ানোর নৈতিক সাহস তাদের নেই।…বিস্তারিত

GSP, TICFA and the compensation issue

It is really unbelievable that even after the horrible killings of more than 1100 workers in Rana Plaza, no significant initiative from the BGMEA or the government were seen that would address the long term restructuring of the fragile garments sector to earn credibility and ensure workers safety and security. More unbelievable is the fact that, even after two and half months have passed, no compensation for the families of the…বিস্তারিত

Rampal power plant: A project of deception and mass destruction

Rampal power plant: A project of deception and mass destruction Thousands of people, young and old, women and men, are now preparing for more than 400 km 5 days long march from Dhaka, the capital city, to Digraj a place in Rampal, the extended Sundarbans area, in South west Bangladesh begins from 24 September 2013. Organised by the ‘National Committee to Protect Oil Gas Mineral Resources Port and Power’, the main demand for this long march is to cancel ‘Rampal…বিস্তারিত

সুন্দরবনের কোনো বিকল্প নেই

বৃহত্তর সুন্দরবনের অংশ রামপালে ভারতীয় কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতাকারীদের জ্ঞানের বহর নিয়ে সম্প্রতি জ্বালানি উপদেষ্টা সংশয় প্রকাশ করেছেন এবং তাঁদের পরামর্শ দিয়েছেন পড়াশোনা করতে। বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেছেন, সুন্দরবন ক্ষতি বা ধ্বংসের কথা একটা গুজব, আসলে কোনো ক্ষতি হবে না। পরিবেশমন্ত্রী বলেছেন, ক্ষতি হলে এ প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া হবে। বিদ্যুৎসচিব বলেছেন, এ প্রকল্পে কোনো ক্ষতি হবে না বরং সুন্দরবন আরও সুরক্ষিত হবে! জ্বালানি উপদেষ্টা জেনে হয়তো…বিস্তারিত

Page 24 of 29