সমুদ্র সম্পদে ‘আকর্ষণীয় প্যাকেজ’

৭ জুলাই আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের পর বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি পরিষ্কার চিত্র পেয়েছে। এর ফলে এই নির্দিষ্ট সীমার ভেতর বাংলাদেশ জাতীয় নিরাপত্তা ও জাতীয় সম্পদ নিয়ে যথাযথ পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণে সক্ষম। কিন্তু কাগজ-কলমে জমির মালিক হলেও বাংলাদেশের বহু মানুষ যেমন প্রবল ক্ষমতাধর দখলদারদের জন্য সেই জমি নিজের দখলে রাখতে পারেন না, বা তা নিজের অবস্থা উন্নয়নে ব্যবহার করতে ব্যর্থ হন, তেমনি সমুদ্রসীমার ওপর শুধু আইনগত স্বীকৃতি এই সমুদ্রের…বিস্তারিত

ক্ষতিপূরণের কী হলো?

সাভারের রানা প্লাজা ধসের পর প্রায় আড়াই মাস পার হতে চলল। কয়েক হাজার পরিবারের আহাজারি আর বিলাপ কিছুমাত্র কমেনি। নিহত ও গুরুতর আহত পোশাকশ্রমিকদের স্বজনদের এ সময়ে টিকে থাকা, বেঁচে থাকার পথই অনিশ্চিত। যাঁরা আহত হয়ে বেঁচে আছেন, তাঁদের অনেকে পুরোই অন্ধকার দেখছেন চোখে। ‘মরে যাওয়াই ভালো ছিল’—এ রকমই যেন তাঁদের এখনকার হাহাকার। গত বছরের নভেম্বরে তাজরীন ফ্যাশনসের অগ্নিকাণ্ডের পরই যেখানে সরকার, মালিক, বিজিএমইএ, ক্রেতাদের একটু সংযত হওয়ার কথা, নিজেদের…বিস্তারিত

বাঙালির নামে, মুসলমানের নামে

বাংলাদেশে উর্দু ভাষায় সাহিত্যচর্চা হচ্ছে, গল্প-কবিতা-উপন্যাস লেখা হচ্ছে, এটি আমার বহুদিন জানা ছিল না। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উদ্যোগেই নব্বই দশকের প্রথম দিকে যোগাযোগ ও কথাবার্তা হয়। যত দূর মনে পড়ে, কবি আসাদ চৌধুরী ছিলেন যোগাযোগমাধ্যম। তাঁর সঙ্গে উর্দু ভাষার লেখকদের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল, আশা করি এখনো আছে। আমরা বসেছিলাম ইলিয়াস ভাইয়ের বাসায়, তাঁর মৃত্যুর কয়েক বছর আগে। উর্দু ভাষার লেখক-কবিদের সবার পুরো নাম সঠিকভাবে মনে পড়ছে না। একজনের নাম মনে আছে,…বিস্তারিত

কার শ্রমে কার সমৃদ্ধি?

বাজেটের আকার এবং বরাদ্দ বৃদ্ধি অস্বাভাবিক কিছু নয়। জিডিপি বাড়ছে, অর্থনীতির আকার বাড়ছে। সুতরাং বাজেটও বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। বাজেটের আয় তৈরি হয় প্রধানত জনগণের অর্থ দিয়ে। ঘাটতি তৈরি হলে সেটা মোটানো হয় দেশি-বিদেশি ঋণ দিয়ে। জনগণের কাছ থেকে অর্থ নেয়া হয় কর এবং শুল্ক হিসেবে।বাজেটের প্রধান অংশ রাজস্ব আয় ও ব্যয়। সরকারের রাজস্ব আয় বলতে যা বোঝানো হয় তাকে আমরা অন্যদিক থেকে বলতে পারি কর শুল্ক ও ফিসহ নানাভাবে সরকারকে…বিস্তারিত

ভারতের মূলা বাংলাদেশের সেবা

গত কয়েকবছর ধরেই আমরা শুনছি, ভারত থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসছে। লোডশেডিংএর মধ্যে এই খবরটা প্রচারিত হয় বেশি। এমনি এমনি আসা নয়। ভারতের এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন নির্ধারিত দামে, নগদ অর্থে সবরকম শর্ত পালন শেষেই এই বিদ্যুৎ পাবার কথা। তারপরও এই লোডশেডিংএর মধ্যে এরকম খবর শোনার জন্যও মানুষ উন্মুখ হয়ে থাকে। এই খবর আরও জোর পায় যখন ভারত সরকারের কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তি এই দেশ সফর করেন তখন। পত্রপত্রিকা টিভি সর্বত্রই এই…বিস্তারিত

Bangladesh RMG: Global chain of profit and deprivation

Bangladesh RMG: Global chain of profit and deprivationUnlimited greed and political power, along with global inhuman system of injustice, created monsters that actually killed more than a thousand workers in Bangladesh. The cruel death of workers is in fact a reflection of the cruel lives millions face everyday. The system, profiting from the repression, insecurity, and deprivation of workers, created the risk and vulnerability that preceded Spectrum, Smart, Tazreen and Rana disaster.Who are responsible?Inhuman working conditions,…বিস্তারিত

টিকফা বা জিএসপি নয়, বৈষম্য দূর করাই হোক দাবি

টিকফা বা জিএসপি নয়, বৈষম্য দূর করাই হোক দাবিযুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল এখন ঢাকায়। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের জিএসপি হারাতে পারে এ ভীতি চারদিকে। ওদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নও বাংলাদেশকে দেওয়া জিএসপি সুবিধা প্রত্যাহারের হুমকি দিয়েছে। বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আসলেই জিএসপি সুবিধা দেয় এবং শতকরা প্রায় ৬০ ভাগ গার্মেন্টস পণ্য ইউরোপে যায়। সে জন্য তাদের হুমকির সত্যিই অর্থ আছে।কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির অর্থ কী? বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প তো সেখানে কোনো জিএসপি সুবিধা পায় না। বরং বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে নানারকম বৈষম্যের শিকার।…বিস্তারিত

জিএসপি, টিকফা ও গার্মেন্টস

তাজরীন ফ্যাশনসে অগ্নিকাণ্ডে শতাধিক শ্রমিক আগুনে পুড়ে ছাই হওয়ার পর বাংলাদেশের গার্মেন্টস, বিশেষত এখানকার শ্রমিকদের জীবন ও কাজের নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বব্যাপী আলোচনা-সমালোচনা অনেক বৃদ্ধি পায়। এ ঘটনার পাঁচ মাসের মাথায়ই বিশ্বের ইতিহাসে গার্মেন্টস কারখানার সবচেয়ে ভয়ংকর বিপর্যয় যে বাংলাদেশেই ঘটবে, এটা কেউ দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারেনি। কেননা, সবারই ধারণা ছিল, তাজরীনের পর সরকার, বিজিএমইএ, মালিক, বায়ার ও ব্র্যান্ড—সবারই সতর্কতা তৈরি হবে। সবার ধারণা ভুল প্রমাণিত করে সারা বিশ্ব্বকে কাঁপিয়ে, সারা দেশকে…বিস্তারিত

কার সম্পদ কার হাতে

কার সম্পদ কার হাতেগত ৫ জানুয়ারির পর থেকে গত সরকারের নতুন মেয়াদ শুরু হয়েছে। গত আমলে এই সরকারের যেসব উদ্যোগ দেশকে আরও ঋণগ্রস্ত করেছে, সুন্দরবন থেকে বঙ্গোপসাগরকে হুমকির মুখে নিেক্ষপ করেছে, বিদ্যুৎ খাতকে কতিপয় দেশি-বিদেশি গোষ্ঠীর হাতে আরও বেশি করে আটকে দিয়েছে, তাদের মুনাফা নিশ্চিত করতে গিয়ে বিদ্যুতের দাম বেড়েছে কয়েক দফা, দায়মুক্তি দিয়ে জ্বালানি খাতকে বানানো হয়েছে ‘তলাহীন ঝুড়ি’; সেসব কাজে এই মেয়াদে আরও দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে এই সরকার। প্রতিবাদ, যুক্তি, তথ্য—কোনো…বিস্তারিত

Do we need TICFA?

MY first concern is that given our existence within a global setting, where we have global trading systems monitored by international organisations like WTO, why is it important to sign a bilateral treaty with the US.Bangladesh tariff structure and trade relations with US should hardly be an issue for the latter because we export about 23% of our garment to them; yet the US is still not honouring the WTO principles on providing the standard tariff structures for Bangladeshi exports.When other countries have a one percent tariff rate — some even less — as they enter the US market, Bangladesh garments sector faces 15%. This is a protectionist policy against Bangladesh. The US is also not providing any GSP facility to this sector. Bangladesh should ask them to remove this discrimination.There is an additional danger for us in signing the TICFA. In terms of the intellectual property rights on new goods here, they will be in a position to impose restrictions on Bangladeshi products such as pharmaceuticals and the IT industry.With regard to media reports showing TICFA’s focus on Bangladesh labour standards, I think no one should use this issue as an instrument to create any imposition. Bangladesh has its own legal framework to work on and the government should strengthen it to improve our labour standards.Countries like Sri Lanka had signed TICFA, with the promise of getting GSP facilities in its garment sector but till today they are faced with a 12% tariff rate, while others including France enjoy a tariff rate of one percent.It is a myth that the US aids Bangladesh but in reality, we pay them six times more than the total loan and aid that flow in from them. Bangladesh has paid US$750 million as tariff on its garments. So when US places drastic discrimination, Bangladesh should ask them to have this removed instead of finding another agreement that would create more impediments for Bangladesh.(May 19, 2013 Published by The Daily Star)…বিস্তারিত

Page 21 of 24