করোনা সংকট: আশু থেকে দীর্ঘমেয়াদে করণীয়

করোনাসৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকটের বিভিন্ন মাত্রা আছে। এর মোকাবেলায় করণীয়গুলোকে আশু বা স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি, দীর্ঘমেয়াদি এভাবে ভাগ করে কর্মসূচি হাতে নিতে হবে। করোনা শনাক্ত হওয়ার পরই সরকারের আশু করণীয় ছিল ব্যাপকসংখ্যক মানুষের জন্য কয়েক মাসের বেঁচে থাকার অর্থ-সামগ্রী জোগান দেয়ার ব্যবস্থা করা। তিন মাস পরেও সেই কর্মসূচি নেয়া হয়নি। তবে সরকার এবং তার বাইরে বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তি-গোষ্ঠী থেকে এককালীন ত্রাণসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। 




নভেল করোনাভাইরাসের সংকটের কারণে বিশালসংখ্যক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। সরকারি হিসাবেই প্রায় চার কোটি মানুষ আগে থেকেই দারিদ্র্যসীমার নিচে, তাদের অনাহার আশ্রয়ের সমস্যা তো ছিলই। করোনায় যখন সব কাজ বন্ধ হয়ে গেল তখন তাদের মৃতপ্রায় দশা। তাদের সঙ্গে এখন যোগ হয়েছে প্রান্তিক সীমার দরিদ্ররা, তাতে প্রায় আট কোটি মানুষ তীব্র খাদ্য সংকটে। অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের মানুষদের তো এমনিতেই সার্বক্ষণিক অনিশ্চয়তায় থাকতে হয়। পরিবহন শ্রমিক, নির্মাণ শ্রমিক, বিভিন্ন ধরনের কারখানা শ্রমিক, কৃষিমজুর, দিনমজুর, গৃহশ্রমিক, হকারসহ যাদের অস্থায়ী বা খণ্ডকালীন বা অনিয়মিত কাজ, তাদের জন্য পরিস্থিতি খুবই সঙ্গিন। গার্মেন্টসহ বিভিন্ন কারখানা প্রাতিষ্ঠানিক খাত হলেও শ্রমিকদের জন্য অনিশ্চয়তায় ভরা। অনেকের কাজ থাকলেও মজুরি নেই, বকেয়াও পড়ে আছে অনেক। আবার নিয়মকানুন না মেনে অনেকের ছাঁটাইয়ের হুমকি। সেজন্য করোনাকালেও বকেয়া মজুরির জন্য তাদের বারবার রাস্তায় আসতে হচ্ছে। শুধু শ্রমিক নয়, ব্যাংক-বীমা-মিডিয়াসহ বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অন্য কর্মী-পেশাজীবীদের জন্যও অনিশ্চয়তা কম নয়। ছাঁটাই, বকেয়া বেতনের অভিযোগ শোনা যাচ্ছে প্রায়ই।




কভিড-১৯ সংক্রমণ পৃথিবীব্যাপী প্রকাশ হতে শুরু করেছে জানুয়ারি থেকে। শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা কিংবা লকডাউন এগুলো এ ভাইরাস মোকাবেলার পথ হিসেবে এখন সর্বজনস্বীকৃত। এসব নিয়ে বাংলাদেশে ধারণা ছিল না, থাকার কথাও না। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক বৈশ্বিক মহামারী ঘোষণা করার পরেই যেটা দরকার ছিল, বিভিন্ন সম্ভাবনা বিচার-বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন মেয়াদে সামগ্রিক পরিকল্পনা করা। কেননা যদি লকডাউন পর্যন্ত যেতে হয় তাহলে বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠী যে কর্মহীন হবে, এটা বোঝা কঠিন ছিল না। তাছাড়া মানুষকে স্বেচ্ছাবন্দিত্বে রাখতে গেলে তাদের থাকার জায়গাও দিতে হবে। বাংলাদেশে ফুটপাতে, রেললাইনের ধারে বহু মানুষ থাকে, বস্তিতে ছোট ঘরে পাঁচ-দশজন মানুষ থাকে। থাকার মতো ঘর নেই, আবার থাকলেও কাজ বাদ দিয়ে ঘরে থাকতে হলে খাবার নেই। হিজড়া, যৌনকর্মী, বেদে, দলিতসহ ভাসমান জনগোষ্ঠীর বেঁচে থাকার সংকট আরো প্রকট। তাই জনগোষ্ঠীর একটা অংশের জন্য আশ্রয়ের এবং বৃহৎ অংশের জন্য খাদ্যের ব্যবস্থা—এ দুটো বিষয় নিশ্চিত করেই লকডাউন, পরিবহন বন্ধ, ‘সাধারণ ছুটি’ ইত্যাদির মধ্যে যাওয়া উচিত ছিল। শর্তপূরণ না করে বা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করে ঘরে থাকতে বলার কারণেই সেটা কার্যকর হয়নি। এসব ক্ষেত্রে বলপ্রয়োগ বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কোনো কাজে আসে না। কারণ বাংলাদেশে এখন এমন অনেক লোক আছে, যারা জেলে যেতে পারলেও খুশি হবে। জেলে গেলে তবু খাবার পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।




করোনা সংকট মোকাবেলায় সরকার কয়েক দফা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, প্রথমটি ছিল রফতানিমুখী শিল্পের জন্য। সেটা ঋণের প্যাকেজ, ২ শতাংশ সুদে-সার্ভিস চার্জে ঋণ। এগুলো সুনির্দিষ্ট করতেও সময় গেছে অনেক। যতটুকু বোঝা যায়, যারা করোনাপূর্ব সময় থেকে ব্যাংকগুলোর ঋণ সুবিধা পাচ্ছিল, তারাই এবারো ঋণ সুবিধা পাচ্ছে।  সরকার বলেছে, এ ঋণ দেয়া হচ্ছে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা দেয়ার জন্য। প্রশ্ন হলো, শ্রমিকদের বেতন-ভাতা তো কারখানাগুলোর এমনিতেই দেয়ার কথা। খুব কম দিনই উৎপাদন বন্ধ ছিল। যে অর্ডারগুলো বাতিল হচ্ছিল, সেটা তো করোনার প্রথম দিকে। পরে অনেকে আবার বাতিল আদেশ থেকে পিছিয়ে এসেছে। এক-দুই মাসের বেতনও কেন তারা দিতে পারে না? একদিকে গার্মেন্ট মালিক, বিজিএমইএ, সরকার এবং অন্যদিকে ব্র্যান্ড ও বায়ার প্রতিষ্ঠানগুলোর ঠেলাঠেলির কারণে গার্মেন্ট শ্রমিকদের কয়েক দফা ঢাকা থেকে যাওয়া আবার আসায় মহাদুর্ভোগে পড়তে হলো, যা করোনা পরিস্থিতিকে আরো খারাপ করেছে। এখন পর্যন্ত বকেয়া মজুরির জন্য শ্রমিকদের রাস্তায় দাঁড়াতে হচ্ছে।




পরের প্যাকেজে সাড়ে ৪ শতাংশ সুদে ছোট ও মাঝারি শিল্পের জন্য ঋণ বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে। কৃষকদের জন্যও ঋণের প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। কৃষকদের প্রথম ও প্রধান সমস্যা হলো, যে কৃষিপণ্য উৎপাদন হচ্ছে, সেটা বাজারজাত। এতে কৃষিপণ্যের দাম নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যায়। করোনাপূর্বকালেও পরিবহন ও বাজারজাতের সমস্যায় কৃষকরা বরাবরই ভুগেছেন। পরিবহন বন্ধ থাকায় কৃষকদের ফসলের যুক্তিসংগত দাম না পাওয়ার পুরনো সমস্যা এখন তীব্র আকার ধারণ করেছে। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, এখন বোরো ধান তোলার মৌসুম। ফসল কাটতে হচ্ছে, বাজারে তুলতে হবে। সরকার কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান বা চাল কিনলে কৃষকদের একটা ভরসা থাকত, কিন্তু তাতেও শ্লথগতি। কৃষকদের নিজে বেঁচে থাকার জন্য এবং পরবর্তী উৎপাদনে প্রয়োজন কৃষি উপকরণ, উৎপাদন খরচ। কৃষিমজুর, যারা অন্য এলাকায় গিয়ে মৌসুমি মজুর হিসেবে কাজ করেন, তাদের বেশির ভাগ এবার কাজ করতে না পারায় কয়েক মাসের অনিশ্চয়তায় পতিত হলেন। এ পরিস্থিতিতে তারা কীভাবে কী করবেন, সেটা একটা বড় প্রশ্ন। 




বৈশ্বিক মহামন্দার মুখে বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে অভ্যন্তরীণ বাজারের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন ছোট, বড়, মাঝারি শিল্প, আরো বড় ভূমিকা পালন করতে পারবে কৃষি। তার মানে মহামারী-উত্তর দেশে অভ্যন্তরীণ বাজারের সঙ্গে যুক্ত করে শিল্প বা কৃষি যথাসময়ে যাতে সক্রিয় হতে পারে, তা নিশ্চিত করা অধিক গুরুত্বপূর্ণ। সেই সঙ্গে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের মানুষ যাতে ঠিকঠাকভাবে কাজে ফিরতে পারে, সেজন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। অনেকে এনজিও ঋণের ওপর নির্ভরশীল, এ বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত পরিষ্কার হওয়া দরকার। ঋণের কিস্তি এখন বন্ধ রাখতে হবে, সুদহার অবশ্যই কমাতে হবে এবং সুলভ করতে হবে। আর ব্যাংকগুলোর গতিশীলতা আনতে বিদেশে সম্পদ পাচার করার অবাধ প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে। সামনে রেমিট্যান্স ও রফতানি আয়—বাংলাদেশের অর্থনীতির দুই খুঁটি—কমে যাবে। এ পরিস্থিতিতে ঋণখেলাপিদের প্রতি সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা যদি বন্ধ না হয়, সম্পদ পাচার যদি বন্ধ না হয় তাহলে বাংলাদেশে যে অর্থনৈতিক সংকট করোনার আগেই দানা বাঁধছিল, তা আরো ভয়ংকর অবস্থার দিকে যাবে।




সব দেশে জনগোষ্ঠীর বিশাল অংশ একই মাত্রায় ক্ষুধা, অনিশ্চয়তা আর অভূতপূর্ব বিপদের মধ্যে পতিত হয়নি, বাংলাদেশে হয়েছে। কারণ বিশ্বজুড়ে বহু দেশের সামাজিক নিরাপত্তার বিভিন্ন ব্যবস্থা প্রতিটি নাগরিকেরই প্রাপ্য থাকে, যেমন খাদ্য, ন্যূনতম আয় বা বেকারত্ব ভাতা, চিকিৎসা ইত্যাদি। এ দেশের নাগরিকদের জন্য এসব সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণই করা হয়নি কখনো। একসময় রেশনিং প্রথা ছিল, সেটাও বিশ্বব্যাংক গোষ্ঠীর পরামর্শে তুলে দেয়া হয়েছে।  ‘সোস্যাল সেফটি নেট’ বলে যেটি চালু আছে, তা সামাজিক নিরাপত্তা নয়। 




অনেকে বলবেন, এত টাকা আমরা কোথায় পাব? জনস্বার্থের কথা উঠলেই টাকার অভাব হয়! যদি কিউবার কথা বিবেচনা করি তাহলে আমরা বুঝব সম্পদ কোনো সমস্যা নয়। তাদের টাকা-পয়সা বাংলাদেশ থেকে অনেক কম। কিন্তু কিউবার নাগরিকরা করোনার কারণে বাংলাদেশের মতো সংকটে পড়বে না, কারণ তাদের প্রতিদিনের মূল খাদ্য (দুধ, ডিমসহ) রাষ্ট্র নিশ্চিত করে, করোনার কারণে তাই কাজ না থাকলেও তাদের অনিশ্চয়তায় পড়তে হবে না। উপরন্তু, সর্বজন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা সেখানে খুবই শক্তিশালী, তাই তারা সবাই সর্বোত্তম চিকিৎসা পাবে, ভিআইপি রোগ বা বোঝা নেই সেখানে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, এশিয়ার চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনামে সামাজিক নিরাপত্তার শক্তিশালী ব্যবস্থা আছে। ইউরোপের যেসব দেশে সর্বজন স্বাস্থ্যসেবা বহাল, সেসব দেশে জনভোগান্তি দেখা যাচ্ছে সরকারের ভূমিকার কারণে। তাছাড়া ব্রিটেনসহ বেশ কয়েকটি দেশে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা বাণিজ্যিকীকরণের ‘নয়া উদারনৈতিক’ বা কট্টর পুঁজিপন্থী পদক্ষেপে এ খাতে তহবিল জোগান কমে গেছে, করোনা সংকটে যার ফলাফল প্রকট আকারে ধরা পড়েছে। 




বস্তুত করোনাকালে বাংলাদেশের মানুষের নিরাপত্তাহীনতার ভিত্তি বর্তমান উন্নয়ন ধরনের মধ্যেই। খেয়াল করতে হবে যে উন্নয়নের ধারায় আমাদের বন শেষ হয়ে যায়, নদী দূষিত হয়, প্রাণ-প্রকৃতির বিনাশ হয়, যে উন্নয়ন ধারায় ব্যাংক, প্রবাসী আয়, সর্বজনের সম্পদের ওপরে কতিপয় গোষ্ঠী আধিপত্য বিস্তার করে, সম্পদ পাচার করে, লুণ্ঠন করে, যে উন্নয়ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সম্পদের কেন্দ্রীভবন ঘটে এবং গণতন্ত্র বিপন্ন হয়, তা কখনই মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। যে উন্নয়নে মানুষের খাদ্য-পুষ্টি-চিকিৎসার গুরুত্ব নেই, মতপ্রকাশ ও নিরাপত্তার গুরুত্ব নেই, ন্যূনতম আয়ের নিশ্চয়তা নেই, প্রাণ-প্রকতি, নদীনালা-খালবিলের গুরুত্ব নেই, তা যে কোনো উন্নয়ন নয়, এটি সামাজিক উপলব্ধির মধ্যে আনা দরকার। করোনা সংকট আমাদের সেই তাগিদই দেয়। 




দীর্ঘমেয়াদে উন্নয়ন দর্শনে তাই মৌলিক পরিবর্তন আনা অপরিহার্য। মানুষ ও প্রাণ-প্রকৃতির বিনিময়ে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মুনাফামুখী তত্পরতা, জৌলুস, অপচয় ও ভোগবিলাসকে উন্নয়ন হিসেবে দেখার ঘোর থেকে বের হতে হবে। জনগণের জীবন, গণতান্ত্রিক অধিকার ও নিরাপত্তাকেই উন্নয়নের প্রধান শর্ত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। এজন্য জরুরি ভিত্তিতে যে কাজগুলোর পক্ষে সামাজিক চৈতন্য শক্তিশালী করা দরকার সেগুলো হলো:




সুন্দরবনসহ প্রাণ-প্রকৃতিবিনাশী সব কয়লা ও পারমাণবিক প্রকল্প অবিলম্বে বন্ধ করে পরিবেশবান্ধব, সুলভ, স্বনির্ভর মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা। অপ্রয়োজনীয় ক্ষতিকর প্রকল্প বাতিল করে তার জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ জরুরি ত্রাণ, চিকিৎসা ও জাতীয় সক্ষমতা বিকাশে ব্যয় করা।




দেশের সমগ্র স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে ব্যক্তি ব্যবসা মুনাফামুখী অন্ধত্ব থেকে মুক্ত করে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত অভিন্ন রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নির্মাণ করা। এ খাতে জিডিপির কমপক্ষে ৬ শতাংশ অর্থ বরাদ্দ করা এবং স্বাস্থ্যসেবাবিষয়ক শিক্ষা ও গবেষণাকে গুরুত্ব প্রদান। চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসা গবেষকদের জন্য বিশেষ বেতন স্কেল তৈরি করা, যাতে তাদের আয়ের অন্য উৎস খুঁজতে না হয়।




পরিবেশ দূষণের সব তত্পরতা বন্ধ করা। পরিবেশ রক্ষায় নদী দূষণ-দখল বন্ধ, ইটভাটা বন্ধ করতে হবে। যেসব কারখানা ইটিপি ব্যবহারে শৈথিল্য বা প্রতারণা করে, তাদের লাইসেন্স বাতিল। পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও অদিধপ্তরে জনবল বাড়িয়ে স্বাধীন ও ক্ষমতাসম্পন্ন করা।




কৃষি ও পাটসহ পরিবেশবান্ধব শিল্পে অগ্রাধিকার প্রদান এবং




সব নাগরিকের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বলয় নিশ্চিত করা; সব নাগরিকের বেঁচে থাকার ন্যূনতম সামগ্রী জোগান রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ। এর আশু ব্যবস্থা হিসেবে পূর্ণ রেশনিং চালু করা। 




(১৭ মে ২০২০ তারিখে দৈনিক বণিক বার্তায় প্রকাশিত) 

Footer 1

Anu Muhammad
Professor of Economics
Jahangirnagar University

আনু মুহাম্মদ, Anu Muhammad

Footer 2

প্রচ্ছদপ্রবন্ধবই পত্রবক্তৃতাসাক্ষাৎকার • ভিডিও চিত্র | Landing
Email: This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

Developed by AM.Julash