রানা প্লাজা ধসের ৪ বছর: বেঁচে থাকার লড়াই চলছেই

প্রায় চার দশক ধরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার পথে আমাকে সবসময়ই সাভার পার হয়ে যেতে হলেও বিশ্বব্যাপী কুখ্যাত হওয়ার আগ পর্যন্ত ‘রানা প্লাজা’ নামের ওই দালানটি কখনো খেয়াল করিনি। গত দুই দশকে গাবতলী থেকে সাভারের পথে পরিবর্তন ঘটেছে বিস্তর। পরিবেশগতভাবে-প্রতিকূল ‘উন্নয়ন’ এখন চোখেই দেখা যায়। নদী ও খালগুলো প্রায়ই বিলুপ্ত হয়ে গেছে, অবশিষ্ট পানিও দূষিত ও বিষাক্ত। বাতাসে শ্বাস নেয়া কঠিন। রাস্তার দুই ধারে এখন উঁচু উঁচু দালান, কারখানা ও শপিং মল। ভূমি দখলকারীরা বেদখল করেছে অনেক জায়গা। রানা প্লাজা এরই একটি। ওই জমি জবরদখলের ওপরই দালানটি তৈরি, যা সংশ্লিষ্ট সব আইন-বিধি উপেক্ষা করে ওপরে উঠেছিল।

পাঁচটি পোশাক কারখানা অবস্থিত ওই দালানের স্থানটি আমি খেয়াল করেছি ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল নজিরবিহীন ভয়াবহতম ‘দুর্ঘটনা’ সংঘটনের পর। ওই দুর্ঘটনায় এগারোশরও বেশি মানুষ মারা গেছে, আহত হয়েছে বহু মানুষ এবং হাজারো পরিবারের জীবনে নেমে এসেছে বিপর্যয়। আলোচ্য দুর্ঘটনার পর থেকে যখনই এ স্থান পার হই, প্রায় প্রতিবারই ওই স্থানে একটু হলেও দৃষ্টি দিতে বাধ্য হই। এখনো দেখি, অনেক নারী-পুরুষ ওই স্থানের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। কেউ কাঁদছেন, কেউ প্রার্থনা করছেন, আবার কেউবা শূন্যদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন। অনেক মাস পর্যন্ত রানা প্লাজার ধ্বংসাবশেষে মৃত মানুষের হাড়-হাড্ডি পাওয়া গেছে। অনেক পরিবার তাদের স্বজনের মরদেহ আর খুঁজেই পাননি।

ওই দালান ধসের এক মাসের মধ্যে কিছু তরুণ কর্মী স্বেচ্ছাশ্রমে সেখানে একটি স্মৃতি ভাস্কর্য নির্মাণ করেন। অনেক শ্রমিক, সংগঠন ও নাগরিকই ওই জায়গাটি বাজেয়াপ্ত করে একটি স্থায়ী শ্রমিক স্মৃতিসৌধ এবং বেঁচে থাকা শ্রমিকদের পৃষ্ঠপোষকতায় কিছু একটা তৈরির দাবি জানান। কিন্তু সরকার ও বিজিএমইএ কখনো এ ব্যাপারে কোনো আগ্রহ দেখায়নি। এটা স্পষ্ট যে, এ হত্যাকাণ্ডের জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দায়ী এসব পক্ষ এর স্মৃতি বিনাশ করতে চায়। তারা চায় মানুষ এগুলো ভুলে যাক। সম্প্রতি অপরাধী সোহেল রানার সহযোগীরা সেখানে জায়গা দখলে রাখতে ঘর তৈরি করে দোকান ভাড়া দেয়া শুরু করেছে। তবে এর পাল্টা চেষ্টাও আছে। সংখ্যায় কম হলেও কোনো কোনো শ্রমিক সংগঠনের কর্মীদের চেষ্টা এখনো অব্যাহত আছে, যারা নিয়মিতভাবে ওখানে যান, শ্রমিকদের নিয়ে দাঁড়ান এবং আমাদের সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, হাজারো শ্রমিকের খুনের ক্ষেত্রটি আমাদের ভোলা উচিত নয়। রানা প্লাজা ধসে নিহত শ্রমিকরা শুধু কেবল সংখ্যা নয়; আস্ত জীবন।

নজিরবিহীন ওই বিপর্যয় পুরো দুনিয়াকে ঝাঁকি দিলেও তেমন কিছুই বদলায়নি। ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের সহজ ইস্যুটিও এখনো পুরোপুরি সমাধান করা হয়নি। ক্ষতিপূরণের আইনের পরিবর্তন হয়নি। আমি বেঁচে থাকা অনেক শ্রমিক ও মরে যাওয়া শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা স্থানীয় শক্তিশালী দালাল এবং বিভিন্ন এনজিও দ্বারা প্রতারণার শিকার হওয়া, নানা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয়ার কথা আমাকে বলেছেন। অনেকেই এখনো শারীরিকভাবে অক্ষম, অনেকে মানসিক ট্রমায় ভুগছেন এবং অধিকাংশ বেঁচে থাকা শ্রমিকই এখনো নিয়মিত চাকরি-কাজ পাননি। অথচ বিজিএমইএ নেতারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তারা সবাইকে কাজ দেবেন। রানা প্লাজা নিয়ে গঠিত হয়েছে বহু তহবিল, কিন্তু এসবে জমা দেয়া অর্থ ও বিতরণের ক্ষেত্রে বহু রকম অনিয়ম ও অস্বচ্ছতার অভিযোগ আছে।

রানা প্লাজা ধসের পর বিশ্বের নানা দেশের নাগরিকরা আমাদের বিলিয়ন ডলার পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের অবস্থা সম্পর্কে ক্ষোভ প্রকাশ করেন, বিভিন্ন বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী নানা কর্মসূচি আয়োজন করেন। নাগরিক প্রতিবাদের চাপে পোশাক আমদানিকারক দেশের বৈশ্বিক ব্র্যান্ড ও রিটেইলার কর্তৃক কিছু উদ্যোগ নেয়া হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘অ্যাকর্ড’ ও ‘অ্যালায়েয়ান্স’-এর উদ্যোগ। উভয় উদ্যোগই পাঁচ বছরের জন্য পরিকল্পনা করা হয়। তারা নির্বাচিত কারখানাগুলোয় স্বল্পমেয়াদি পরিদর্শন ও তদারকি ব্যবস্থা সৃষ্টি করে ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ও শ্রমিকদের অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তার জন্য প্রশিক্ষণ এবং প্রতিকারমূলক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে তাদের প্রাথমিক সরবরাহকারীর কাছে কিছু পর্যায়ের সম্পদ জোগান দেয়।

তবে হাতেগোনা কিছু মডেল কারখানা ছাড়া (যেগুলোকে প্রায়ই ‘শোকেস’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়) সার্বিক পোশাক খাতে খুব কমই পরিবর্তন এসেছে। এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে কোনো পরিবর্তনই হয়নি বলা যায়। অনিরাপদ কর্মপরিবেশের জন্য শ্রমিকদের অকালমৃত্যু এখনো অব্যাহত। কাজ বা চাকরির অনিরাপত্তা, নিবর্তনমূলক পরিবেশের ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তনই দৃশ্যমান নয়। সে কারণেই রানা প্লাজা ধসের পরও আরো নিহতের ঘটনা ঘটেছে। গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর টাম্পাকো ফয়ল্স কারখানায় সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ৩২ জন নিহত হন। এ প্রাণঘাতী কারখানার গ্রাহক তালিকা দেখলে বোঝা যায়, দায়িত্বহীন, মুনাফাতাড়িত বৈশ্বিক চেইন শ্রমিকদের জন্য কতটা অনিরাপদ কাজের পরিবেশ তৈরি করে। দেশী-বিদেশী এসব গ্রাহকের মধ্যে আছে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, নেসলে, এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি, আকিজ গ্রুপ, প্রাণ গ্রুপ, ইস্পাহানি, কোকোলা ফুড প্রডাক্টস লিমিটেড, ফু-ওয়াং ফুডস লিমিটেড, আবুল খায়ের গ্রুপ, মোল্লা সল্ট, হক বিস্কুট অ্যান্ড ব্রেড, এটিএন ফুড, নাবিস্কো বিস্কুট, আফতাব ফুডস ও বিডি ফুডস।
একাধিকবার কারখানা পরির্দশনের পর নৃবিজ্ঞানী রেহনুমা আহমেদ সঠিকভাবেই লিখেছেন, ‘টাম্পাকো আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ড পূরণ করেছে এবং কারখানাটি পুরোপুরি কমপ্লায়ান্ট বলে কর্তৃপক্ষ দাবি করলেও ওই দালানের যথাযথ কোনো সিঁড়ি পর্যন্ত নেই। পাঁচতলা দালানের কাঠামোর বাইরে একটি ইস্পাতের সিঁড়ি জুড়ে দেয়া হয়েছে। উপরন্তু সেখানে দুটি লিফট আছে, যেগুলো সিগারেট প্যাকেট ফয়লসের উপাদান বহনে ব্যবহার করা হয়। শ্রমিকদের কোনো নিয়োগপত্র দেয়া হয় না, ভবিষ্যৎ তহবিল, অবসর ভাতা বা বীমার মতো কোনো সুবিধা কর্মসূচি নেই; শ্রমিকদের কোনো পদবি উল্লেখ ছাড়া ছবিসহ কেবল পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) দেয়া হয়। কোনো চাকরি বইও নেই। কর্মী ও শ্রমিকরা কেবল দুই মাসের ওভারটাইমের টাকা দাবি করতে পারেন, অন্য কিছু নয়।’ (নিউ এজ, এপ্রিল ১৬, ২০১৭)

এখনো শ্রমিক ইউনিয়ন গঠনের যেকোনো প্রচেষ্টা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা হলেই নেমে আসে নানা চেহারার নিপীড়ন। শ্রমিকদের অনিরাপদ কর্মপরিবেশ বা অপব্যবহার কিংবা নিম্নমজুরির জন্য প্রতিবাদকে বিশৃঙ্খলা, চক্রান্ত, সন্ত্রাস বা তাণ্ডব হিসেবেই দেখা হয়। সম্প্রতি আশুলিয়ায় যখন নিম্নমজুরি ও অনিরাপদ কর্মপরিবেশের প্রতিবাদে শ্রমিকরা ধর্মঘট করেন, তখন পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনী তাদের ওপর চড়াও হয়, নানাভাবে নির্যাতন চালানো হয়। শুধু তা-ই নয়, প্রায় দেড় হাজার শ্রমিককে বিনা নোটিসে চাকরিচ্যুত করা হয়। আশুলিয়ার ওই কারখানাগুলোয় এইচঅ্যান্ডএম, গ্যাপ, ওয়ালমার্ট, সিঅ্যান্ডএ, এবারক্রমবি অ্যান্ড ফিচ ও টমি হিলফিজারের মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের জন্য পোশাক উত্পাদন করা হয়। ২৫ জনের অধিক শ্রমিক আন্দোলনের সংগঠককে বিভিন্ন ফৌজদারি অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয় এবং কিছু কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয় ১৯৭৪-এর বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীনে। নির্যাতনের মাধ্যমে ‘শিক্ষা’ দেয়ার জন্য তাদের পুলিশ রিমান্ডেও নেয়া হয়।

এটা জানা দরকার যে, এখনো বাংলাদেশের চার হাজারেরও বেশি পোশাক কারখানায় নিবন্ধিত ইউনিয়ন নেই, অন্য খাতের কারখানাগুলোর অবস্থা আরো খারাপ। বলা যায়, বাংলাদেশের ৯০ শতাংশের অধিক কারখানায় শ্রমিক সংগঠনের অধিকার স্বীকার করা হয় না। ২০১৩ সালের পর থেকে পোশাক খাতে ন্যূনতম মজুরিও আর বাড়ানো হয়নি। সন্দেহ নেই যে, এ নির্যাতন, নিপীড়ন ও বঞ্চনার ব্যবস্থা জারি রাখা হয়েছে এ দেশকে নিম্নমজুরির দেশে আটকে রাখার জন্য, যা বৈশ্বিক ব্র্যান্ড ও স্থানীয় মালিকদের বিপুল মুনাফার জন্য আবশ্যক।

বিভিন্ন হিসাবে দেখা যায়, পশ্চিমা বাজারে বাংলাদেশে তৈরি যে পোশাক ১০০ মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়, সেখান থেকে ওইসব দেশের সরকার ২৫ ডলার, ব্র্যান্ড ও বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো অন্তত ৫০ ডলার আয় করে এবং বাকিটা যায় এখানকার মালিক, কাঁচামাল সরবরাহকারীর পকেট ও উত্পাদন ব্যয় প্রভৃতিতে। ওয়ালমার্টের মতো একচেটিয়া ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানগুলো পোশাকের দাম কমাতে তাদের নানা অজুহাত ব্যবহার করে, যা সরবরাহকারী দেশের শ্রমিকদের জন্য বিপর্যয়কর প্রভাব ডেকে আনে। মুনাফা সর্বোচ্চ মাত্রায় ধরে রাখতে স্থানীয় পোশাক মালিকরা মজুরি ও সুরক্ষা কার্যক্রমে তাদের ব্যয় কমান। হাজার হাজার শ্রমিকের জীবনের বিনিময়ে স্থানীয় ও বৈশ্বিক মুনাফাখোররা নিজেদের অংশ ভাগ করে নেয় (বিস্তারিত ব্যাখ্যার জন্য পড়ুন: আনু মুহাম্মদ, ‘গ্লোবাল চেইন ফ্রম সাভার টু নিউ ইয়র্ক: ওয়ার্কার্স’ লাইভস, ওয়ালমার্টস’ পকেট’, ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি, জানুয়ারি ২৫, ২০১৫)।

এটা ঠিক যে, তৈরি পোশাক বাংলাদেশের প্রধান উত্পাদন খাত। এখান থেকে মার্কস অ্যান্ড স্পেন্সার, টেস্কো, গ্যাপ ও ওয়ালমার্টের মতো পশ্চিমা প্রধান পোশাক ব্র্যান্ডে পণ্য সরবরাহ করা হয়। কিন্তু ২০১৩ সালের প্রাণঘাতী কারখানা বিপর্যয় কেবল কারখানা দালানের নয়, পুরো খাতের কাঠামোগত সমস্যা উন্মোচন করেছে। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গোষ্ঠীর অতিমুনাফার উন্মত্ততা শ্রমিকের ভয়াবহ অবস্থা, নির্মম নৈমিত্তিক জীবন এবং মাঝেমধ্যে দলে দলে নিহত হওয়ার মতো তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার ক্ষেত্র এখনো জীবন্ত রেখেছে।

গার্মেন্ট শিল্প বিকশিত হচ্ছে তার ভেতরের নানা বৈপরীত্য নিয়ে, দ্রুত সম্প্রসারণ হচ্ছে ভেতরের ভয়ঙ্কর কাঠামোগত দুর্বলতা নিয়ে। দেশের প্রধান রফতানি আয় অর্জনকারী খাত হওয়া সত্ত্বেও এটি এখনো নাজুক। মোদ্দাকথা হলো, শিল্পটি এখনো চলছে প্রবৃদ্ধি ও বঞ্চনা এবং সর্বনিম্ন মজুরির বিপরীতে সর্বোচ্চ মুনাফার ক্ষেত্র হিসেবে; যেখানে শ্রমিকদের দমনে অধিক সংখ্যক শিল্প পুলিশ নিয়োগ করা হয়, কিন্তু আইন ভঙ্গকারী ভয়ঙ্কর মুনাফালোভী বৈশ্বিক ও স্থানীয় করপোরেট গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে কারখানা পরিদর্শকের সংখ্যা ও তদারকি ব্যবস্থা রাখা হয় না রাখার মতোই; যেখানে মালিকদের সুবিধায় নানা ব্যবস্থা নেয়া হলেও প্রাপ্য অধিকার থেকে শ্রমিকদের জীবন অনেক দূরে।

মালিকরা বলছেন, রানা প্লাজার অধ্যায় শেষ। কিন্তু নিহতদের পরিবারে, আহতদের প্রতিদিনের লড়াইয়ের যাত্রা শেষ হয় না। সহস্রাধিক শ্রমিক হত্যার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচার এখনো ঝুলে আছে। ক্ষতিপূরণের আইন সংশোধন এখনো আদালতের দরজা পার হতে পারেনি। রানা প্লাজা ধসের ভয়ঙ্কর স্মৃতি তাই আমরা ভুলতে পারি না। বিভিন্ন খাতে শ্রমজীবী মানুষকে প্রতিদিন মোকাবেলা করতে হয় নির্যাতন, বঞ্চনা আর অনিয়ম। শ্রমিকসহ এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ যখন অনিশ্চিত মরণঘরে নিজেদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় ব্যয় করতে থাকে, তখন প্রশ্ন করা, সংগঠিত হওয়া এবং লড়াই করা ছাড়া তাদের সামনে আর কী পথ খোলা থাকে? 

Footer 1

Anu Muhammad
Professor of Economics
Jahangirnagar University

আনু মুহাম্মদ, Anu Muhammad

Footer 2

প্রচ্ছদপ্রবন্ধবই পত্রবক্তৃতাসাক্ষাৎকার • ভিডিও চিত্র | Landing
Email: This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

Developed by AM.Julash