সন্ত্রাস দমন, না সন্ত্রাস বপন?

বাংলাদেশ সফরে এসে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব আবারও বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে সন্ত্রাস দমনের কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন। এর মধ্যে সন্ত্রাস দমনে ভারত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরও চুক্তি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ বিষয়ে বাংলাদেশেরও চুক্তি আছে। পাকিস্তানও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সন্ত্রাস দমন কাজে নানা চুক্তি ও সমঝোতায় কাজ করছে। সম্প্রতি সৌদি আরব সন্ত্রাস দমনে জোট করেছে, তার মধ্যেও বাংলাদেশ আছে। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সবাই ‘সন্ত্রাস দমনে’ ঐক্যবদ্ধ, প্রশ্ন হল তাহলে সন্ত্রাস করছে কে? সন্ত্রাসী কারা?

প্রকৃতপক্ষে সন্ত্রাসীদের শক্তিবৃদ্ধি, খুনের বিচার ও বিচারহীনতা নিছক আইনশৃংখলার বিষয় নয়, এটি রাজনীতি দ্বারাই নির্ধারিত। অবিরাম খুনের জনপদে খুনি সন্ত্রাসীদের রাজনৈতিক মতাদর্শিক এবং শারীরিক পৃষ্ঠপোষকতার বিষয় এই রাজনীতির সঙ্গেই জড়িত। তালেবান, আইএস, আনসারুল্লা বা ভাড়াটে সন্ত্রাসী যেই হোক না কেন, বড় শক্তির পৃষ্ঠপোষকতাই যে এগুলোর ক্ষমতার উৎস তার তথ্য-প্রমাণের কোনো অভাব নেই।

বাংলাদেশ যে অনিশ্চয়তা, আতংক আর অস্থিরতার মধ্যে পড়েছে তার সঙ্গে দেশের ভেতরের ক্ষমতার রাজনীতির পাশাপাশি সন্ত্রাস দমনের বৈশ্বিক রাজনীতির সম্পর্ক আছে বলে ধারণা করার যুক্তি আছে। ২০০১ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ নামে সন্ত্রাসী তৎপরতা শুরু হয় বিশ্বজুড়ে। ‘জঙ্গি’-‘সন্ত্রাসী’ দমনের নামে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সন্ত্রাস দমন’ মডেলে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশও। আছে ভারত, পাকিস্তানও। এই মডেলে প্রবেশের অর্থ যে জঙ্গি ও সন্ত্রাসীর বর্ধিত পুনরুৎপাদন এবং সন্ত্রাসের চিরস্থায়ীকরণ তা আমরা অভিজ্ঞতা থেকেই দেখছি।

সন্ত্রাসীদের হাতে প্রকাশক দীপন খুনের পর তার বাবা লেখক-শিক্ষক অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক বলেছিলেন, ‘আমি এর বিচার চাই না’। দীপনের বন্ধু, আরেকজন শিক্ষক অধ্যাপক অজয় রায়ের ছেলে অভিজিৎ খুন হয়েছিলেন ঢাকার ফেব্র“য়ারি বইমেলায় পুলিশের সামনে। তার স্ত্রী বন্যা গুরুতর জখম হয়েছিলেন। তিনি অধ্যাপক হকের এই বক্তব্য ধরে তার ফেসবুক পাতায় ‘আমিও বিচার চাই না’ বলে আরও লিখেছেন, ‘এ সরকারের কাছ থেকেও কিছু চাওয়ার নেই আমাদের। একটাই অনুরোধ ওনাদের কাছে, দয়া করে দিন-রাত আর ‘আমরা সেক্যুলার পার্টি’ বলে গলা ফাটিয়ে নিজেদের এনার্জি নষ্ট করবেন না। ...মৌলবাদীদের চাপাতিতে নিশ্চুপভাবে তেল দিয়ে যান, না হলে আপনাদের ভোট কমে যেতে পারে। ...কে জানে, রাতের অন্ধকারে আপনারা হয়তো মুখর হয়ে ওঠেন, ভোট ভাগাভাগি করে নেয়ার খেলায় যোগ দেন তাদের সঙ্গে।’ সম্প্রতি নিহত অভিজিতের বাবা অধ্যাপক অজয় রায়ও সরকারের খুনি ধরার সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সন্দেহ নেই, ক্ষমতার খেলায় সরকারি বিভিন্ন বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা, শৈথিল্য আর তার সঙ্গে সরকারি বিভিন্ন নেতার অসংলগ্ন কথা খুনিদের জন্য সুযোগ আর নিরাপত্তাই কেবল বাড়াচ্ছে।

বর্তমানে ‘জঙ্গি’, ‘ইসলামপন্থী সন্ত্রাসী’ বলে যে দৃশ্যমান ও অদৃশ্য ঘাতক ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের’ মূল ভিত্তি, তাদের মধ্যে তিনটি ধরন আছে বলে আমি মনে করি। প্রথমত, আসলেই কিছু কিছু ইসলামপন্থী গ্রুপ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে যারা ‘ইসলামী রাষ্ট্র’ ‘খিলাফত’ প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের কেউ কেউ সন্ত্রাসী পথই সঠিক মনে করে। পশ্চিমা ব্যবস্থার তারা বিরোধিতা করে; তবে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের জৈবিক বিন্যাস, তার মানুষ ও পরিবেশ বিধ্বংসী ব্যবস্থা তাদের মনোযোগের বাইরে, ধর্মীয় গোষ্ঠীগত বিরোধিতাই তাদের কাছে মুখ্য। সে কারণে সাম্রাজ্যবাদের মূল শক্তি তাদের ধরাছোঁয়ার বাইরেই থাকে। দ্বিতীয়ত, আরেক ধরনের ‘ইসলামপন্থী’গোষ্ঠী পাওয়া যায় যারা বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সৃষ্টি ও লালিত-পালিত। বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের ব্যবহার করা হয়। আইএসের উদ্ভব যেমন মার্কিন-সৌদি-ইসরাইলি কৌশলগত কার্যক্রমের ফসল। দেশে দেশে অনেক সন্ত্রাসী ঘটনায় সরকারের রহস্যজনক ভূমিকা থেকে এই যোগাযোগ পরিষ্কার হয়। এসব সন্ত্রাসী ঘটনার কোনো কূলকিনারা করা হয় না, কিন্তু সেগুলো দেখিয়েই দেশে দেশে নতুন নতুন নিপীড়ন ও নিয়ন্ত্রণমূলক চুক্তির বিধি-নীতি তৈরি হতে থাকে। তৃতীয়ত, মিডিয়ার মাধ্যমে নির্মিত। এসব প্রচারণার মাধ্যমে আতংক তৈরি এবং নিপীড়নমূলক ব্যবস্থা, সামরিকীকরণ, নিরাপত্তা বাণিজ্য সবই বৈধতা পায়। বলাই বাহুল্য, আতংক এখন সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বরাজনীতি এবং লুটেরা দেশীয় রাজনীতির অন্যতম অবলম্বন। এর মধ্য দিয়ে দখল, লুণ্ঠন, আধিপত্যের রাস্তা পরিষ্কার হয়। দেশী-বিদেশী লুটেরাদের এতে নানাবিধ সুবিধা।

এরকম পরিস্থিতি মানুষকে সুস্থির থাকতে দেয় না, তার মুক্তির পথ অনুসন্ধান করতে দেয় না। উল্টো অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের মানুষও এখন বহুমুখী বিপদের মুখে। এর মধ্যে কিছু দেশের ভেতরে, কিছু সীমানার বাইরে থেকে।

প্রথম বিপদ হল সাম্রাজ্যবাদ। ’৯০-পরবর্তী সাম্রাজ্যবাদের অস্তিত্বের জন্য বড় আশ্রয়/যুক্তি/অছিলা হল ইসলামী জঙ্গি/সন্ত্রাসী। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর তার সামনে দৃশ্যমান এবং উপস্থাপন করার মতো শত্রু নেই, যাকে দেখিয়ে নিজের সব অপকর্ম সে জায়েজ করতে পারে। তাদের যে সামরিক অবকাঠামো ও বিনিয়োগ তার যৌক্তিকতা কী, যদি বড় কোনো শত্রু না থাকে? যুক্তরাষ্ট্রের মানুষকে ক্ষুধার্ত রেখে, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত রেখে, বিভিন্ন বৃহৎ ব্যবসায়িকগোষ্ঠীর স্বার্থে, সমরাস্ত্র, যুদ্ধ, আগ্রাসনের পেছনে বিপুল ব্যয় কীভাবে যুক্তিযুক্ত হবে? সুতরাং ‘শত্রু’ বাঁচিয়ে রাখা, কোথাও না থাকলে সেখানে তৈরি করা সাম্রাজ্যবাদীদের জন্য আবশ্যিক। তার হাত ধরেই তাদের অগ্রযাত্রা। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানের মতো দেশগুলোর শাসক শ্রেণীও এই মডেলেই অগ্রসর হচ্ছে। সেজন্য সামনে আরও বিপদের আশংকা।

দ্বিতীয় বিপদ হল, ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষ। বিশ্বজুড়ে বিদ্বেষ ছড়িয়ে বিশ্বের মুসলমান সমাজকে যেভাবে ঘা দেয়া হচ্ছে, যেভাবে আহত করা হচ্ছে তার প্রতিক্রিয়া তৈরি হচ্ছে সম্প্রদায়গতভাবেই। এর ফলে ধর্মীয় রাজনীতির ভূমিই উর্বর হচ্ছে। খুবই পরিকল্পিত ও একচেটিয়া প্রচারণার কারণে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, ভারতসহ মুসলিম সংখ্যালঘু দেশগুলোতে বাড়ছে মুসলিম নিরাপত্তাহীনতা। এই প্রবণতা অন্যান্য দেশেও মুসলমান জনগোষ্ঠীকে তার ধর্মীয় পরিচয়কে গুরুত্ব দেয়ার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সম্প্রদায়গত জখমের অনুভূতি অনেককে ঠেলে দিচ্ছে উগ্রপন্থার দিকে।

তৃতীয় বিপদ, ভারতে সাম্প্রদায়িক ফ্যাসিবাদী রাজনীতির শক্তি বৃদ্ধি। ভারতে হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি ও সাম্প্রদায়িকতার প্রসার বাংলাদেশে ইসলামপন্থী রাজনীতি এবং সাম্প্রদায়িকতাকে উস্কানি দিচ্ছে, সহায়তা করছে। ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের মধ্য দিয়ে সাম্প্রদায়িকতার যে বিষবাষ্প তৈরি হযেছিল তার রেশ তো আছেই, তার সঙ্গে ভারতের আগ্রাসী রাজনীতি ও অর্থনীতিও এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে। প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ গবেষক রোমিলা থাপার গত ১ নভেম্বর ভারতের প্রতিবাদী বুদ্ধিজীবীদের এক সমাবেশে সঠিকভাবেই বলেছেন, ‘উগ্র ইসলামপন্থী আইএস এবং উগ্র হিন্দুপন্থী আরএসএসের মধ্যে কোনো তফাৎ নেই।’

চতুর্থ বিপদ, বাংলাদেশে বৃহৎ রাজনৈতিক দুটি দল এবং তাদের জোট রাষ্ট্রক্ষমতার জন্য প্রতিযোগিতা করে ধর্মপন্থী রাজনীতির ওপর ভর করেছে, ধর্মের রাজনৈতিক ব্যবহার বৃদ্ধি করেছে। বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্মীয়গোষ্ঠী, মাদ্রাসা শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পীরদের ‘রিজার্ভ আর্মি’ হিসেবে নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহার করতে গিয়ে দুই প্রধান ধারার রাজনীতি এখন কদর্য রূপ গ্রহণ করেছে। এরকম পরিস্থিতিতে দেশের জনস্বার্থবিরোধী বিভিন্ন চুক্তি ও তৎপরতা অবাধ হচ্ছে। ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ ও ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’ নামাবলী ব্যবহার করলেও এখন এটা স্পষ্ট যে, বর্তমান সরকার বিএনপি-জামায়াতকে মোকাবেলার কৌশল হিসেবে হেফাজত ও এর সঙ্গে তুলনীয় বিভিন্ন ইসলামপন্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে সমঝোতা করছে। তার সহযোগী ওলামা লীগ চরম অসহিষ্ণু, বিদ্বেষী ও সাম্প্রদায়িক ভাষায় আওয়াজ দিচ্ছে। শাসকশ্রেণীর এই দুই অংশের প্রতিযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতার কারণে উগ্র অসহিষ্ণু রাজনীতি ও তাদের এজেন্ডাই শক্তিশালী হচ্ছে। মতপ্রকাশের অধিকার এখন আইন ও আতংক দ্বারা সংকুচিত।

পঞ্চম বিপদ, ক্ষমতা ও অর্থের কাছে বিদ্বৎসমাজের বৃহৎ অংশের আত্মসমর্পণ এবং জনপন্থী রাজনীতির দৈন্যদশা। সমাজ-অর্থনীতির গতি ও বৈপরীত্য অর্থাৎ প্রাচুর্য ও দারিদ্র্য, সমৃদ্ধি ও বঞ্চনা, সম্ভাবনা ও হতাশা, নিপীড়ন ও নিরাপত্তাহীনতা, চিকিৎসা বাণিজ্য ও চিকিৎসাহীনতা ইত্যাদির গোলকধাঁধার শিকার সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ। এর থেকে মুক্তির পথ খোঁজা মানুষের তাই অবিরাম তাগিদ। দেশে লুটেরা ও চোরাই কোটিপতিদের রাজনৈতিক আধিপত্যকে মোকাবেলা ও পরাজিত করার মতো রাজনৈতিক শক্তিই মানুষের আকাক্সক্ষা। কিন্তু তার অনুপস্থিতি সমাজে ভয়ংকর দিশাহীনতা, হতাশা ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। বুদ্ধিজীবীরা মেরুদণ্ড নিয়ে দাঁড়ালে এবং জনপন্থী রাজনীতি তার দৈন্যদশা দূর করতে পারলে আগের চারটি বিপদ মোকাবেলা করা বাংলাদেশের জনগণের জন্য খুবই সম্ভব। শ্রমিক, নারী, শিক্ষার্থীদের জাতীয় সম্পদ নিয়ে বিভিন্ন ছোট-বড় জনপ্রতিরোধে তার প্রমাণ পাওয়া যায়।

এটা ঠিক যে, দেশে-বিদেশে এখন আতংক আর অনিশ্চয়তা সব ধরনের সক্রিয়তার পথ আগলে আছে। জনগণের মুক্তির লড়াই ছিন্ন ও বিচ্ছিন্ন। পুঁজিবাদী বিশ্বায়নের বর্তমান গতি ও জাল, তার অন্তর্গত সংকটের কারণেই, কার্যত এক বৈশ্বিক ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার মধ্যে নিয়ে গেছে বিশ্বের সব প্রান্তের মানুষকে। যুক্তরাষ্ট্র এর কেন্দ্র। কোথাও এর সহযোগী হিসেবে বিরোধিতা করতে গিয়ে বিভিন্ন চরিত্রের ধর্মপন্থী রাজনীতির বিস্তার ঘটছে। কিন্তু ধর্মপন্থী রাজনীতি, তার কাঠামোগত ও পরিচয়গত সীমাবদ্ধতার কারণেই, বর্তমান দানবীয় বিশ্বব্যবস্থার বিরুদ্ধে সব মানুষের একটি মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াই এগিয়ে নেয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। বরং বর্তমান ধরনে এই রাজনীতির বিস্তার দেশে দেশে ধর্মের পরিচয়ে মানুষকে সংঘাতে নিক্ষেপ করছে, মানুষের মুক্তির লড়াইকে বাধাগ্রস্ত করে বিশ্বের শোষক-নিপীড়ক যুদ্ধবাজ জালেমদের শক্তিকেই স্থায়িত্ব দিচ্ছে।

এই শৃংখল থেকে দুনিয়া ও মানুষের মুক্তির জন্য দরকার ধর্ম-বর্ণ জাতিগত গণ্ডি অতিক্রম করে মানবিক নতুন পরিচয়ে নিজেদের সংহতি দাঁড় করানো, দরকার দেশে দেশে শ্রেণী-ধর্ম-বর্ণ, লিঙ্গ-জাতিগত বৈষম্য ও নিপীড়নবিরোধী ঐক্যবদ্ধ চিন্তা ও লড়াইয়ের জমিন তৈরি। সন্ত্রাস দমনের নামে সন্ত্রাস বপনের বৈশ্বিক খেলা মোকাবেলার আর কোনো পথ নেই।

[লেখাটি ১৫ মে ২০১৬ তারিখেযুগান্তরে প্রকাশিত]

Footer 1

Anu Muhammad
Professor of Economics
Jahangirnagar University

আনু মুহাম্মদ, Anu Muhammad

Footer 2

প্রচ্ছদপ্রবন্ধবই পত্রবক্তৃতাসাক্ষাৎকার • ভিডিও চিত্র | Landing
Email: This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

Developed by AM.Julash