জানার পথে ভাষার দেয়াল

জানার পথে ভাষার দেয়াল
কপটতা, স্ববিরোধিতা, আত্মপ্রতারণার এক অদ্ভুত ক্ষমতা আছে বাঙালি ডিগ্রিধারী সমাজের, বাঙালি শাসকদের। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাস এলে মাতৃভাষা বাংলা, ২১  ফেব্রুয়ারি নিয়ে তাদের যে আবেগ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়, তার তুলনা যেমন বিশ্বের আর কোথাও পাওয়া যাবে না; তেমনি রাষ্ট্রীয় নীতিমালা, পরিকল্পনা, শিক্ষা, গবেষণা, আদালত, এমনকি সেমিনার-সম্মেলন পর্যন্ত সর্বত্র নিজের মাতৃভাষাকে যেভাবে অবশ্যবর্জনীয়, অব্যবহারযোগ্য হিসেবে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে এরা ছুড়ে ফেলে দেয়, তারও তুলনা পাওয়া কঠিন হবে। বাংলা ভাষাকে ‘হৃদয়ের ভাষা’, ‘প্রাণের ভাষা’ বলে…
বিস্তারিত

রাজনৈতিক অর্থনীতি: টমাস পিকেটির একুশ শতকের পুঁজি

রাজনৈতিক অর্থনীতি: টমাস পিকেটির একুশ শতকের পুঁজি
ফরাসি অর্থনীতিবিদ টমাস পিকেটির ক্যাপিটাল ইন দ্য টোয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি বা একুশ শতকের পুঁজি শিরোনামে বৃহৎ কলেবরের বইটি ২০১৩ সালে ফরাসি ভাষায় প্রকাশিত হয়। পরের বছর প্রকাশিত হয় এর ইংরেজি অনুবাদ। প্রকাশের পর এটি বহুল আলোচিত হতে থাকে এবং নানা বিতর্ক সত্ত্বেও কয়েক দশকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কাজ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এর মধ্যে আরও বহু ভাষায় এর অনুবাদ হয়েছে। শিরোনামের বইটি বাংলাভাষায় পিকেটির একুশ শতকের পুঁজির সংক্ষিপ্ত ভাষ্য হিসেবে উপস্থাপিত।ফরাসি অর্থনীতিবিদ…
বিস্তারিত

ভারতের কয়লা খনি ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন: জ্বালানি রাজধানী ও বিপন্ন প্রাণ প্রকৃতি মানুষ

কয়লা খনি ও কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে ভারতের অভিজ্ঞতা বহুদিনের। ভারতের কোম্পানি
বাংলাদেশেও কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প করছে। বাংলাদেশে সরকার গত এক দশকে একের পর এক
কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিচ্ছে। ভারতের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা, তার লাভক্ষতি থেকে
আমাদের পক্ষে বোঝা সম্ভব, এর মধ্য দিয়ে কী ভবিষ্যৎ তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশে। সেকারণেই
আমরা গিয়েছিলাম ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খন্ড, মধ্যপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশে অনেকগুলো উন্মুক্ত
খনি ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন করতে। কী দেখলাম, কী বুঝলাম মূলত সেই
অভিজ্ঞতার সারসংক্ষেপ…
বিস্তারিত

Woman and veil: her struggles for space

MY MOTHER in burka (veil) is a remote scene in my memory. I have never seen her in Burka. But she used to shade her head with a part of saris. She was pious and used to pray regularly. There were kinds of veils in those days which had only two openings in front of eyes that could frighten children very easily. My mother used to tell me ghost stories…
বিস্তারিত

‘আমরা যা খুশি তাই করতে পারি’

‘আমরা যা খুশি তাই করতে পারি’
ধর্ষণবিরোধী আন্দোলন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্যবিদ্যালয়, সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮। আলোকচিত্র: শহিদুল আলম/দৃক
এবিষয়টি আমাদের পরিষ্কার থাকা দরকার যে, ধর্ষণ মানে ক্ষমতার দাপট, ক্ষমতার ঔদ্ধত্ব। তার সাথে আছে নারীর প্রতি ভয়ংকর অসম্মান, নারীর শরীর আর জীবনের ওপর কর্তৃত্ব বিস্তারের রাজনীতি আর সংস্কৃতি; শিশু ছেলেমেয়ে, অন্য লিঙ্গের মানুষও এর আক্রমণের বাইরে নাই। ধর্ষণ বিরোধী আন্দোলন মানে তাই সবরকম জুলুমের বিরুদ্ধে, প্রাণ প্রকৃতি মানুষ বিনাশী ক্ষমতার বিরুদ্ধে লড়াই; অমানুষের দাপটের বিপরীতে সকল মানুষের জন্য নিরাপদ জগত তৈরির…
বিস্তারিত

দুনিয়া বদলের 'বেকার' তাত্ত্বিক

যখন থেকে বৈষম্য, নির্যাতন, অমানবিক রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কবলে পড়েছে মানুষ, তখন থেকেই এর থেকে মুক্তির পথও অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। সে হিসাবে মানুষের মুক্তির চিন্তা ও লড়াইয়ে কার্ল মার্ক্স প্রথমও নন, শেষও নন। মার্ক্স মানুষের এই ধারাবাহিক লড়াইয়ের চেষ্টা, দর্শন, সংগঠন, সক্রিয়তার বস্তুগত ভিত্তি অনুসন্ধান করেছেন। পুঁজিবাদের শুরুতেই তার গতিপথ চিহ্নিত করেছেন, বর্তমানের মধ্যে ভবিষ্যৎ অনুধাবনের তাত্ত্বিক বিশ্নেষণ পদ্ধতি নির্মাণ করেছেন। দুনিয়া বিশ্নেষণ ছাড়াও তার বদলের চোখ, মস্তিস্ক ও হৃদয় হাজির…বিস্তারিত

কার্ল মার্ক্সের ফিরে ফিরে আসা

১৯৯৩ সালে নিউইয়র্কে মান্থলি রিভিউ পত্রিকার অফিসে বিশ্বখ্যাত অর্থনীতিবিদ সম্পাদক পল সুইজির সঙ্গে কথা হচ্ছিল। আলোচনার একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘পুঁজিবাদ যদি আর ১০০ বছর টিকে থাকে, তাহলে এই পৃথিবীর আর অস্তিত্ব থাকবে না।’ তারপর ২৫ বছর গেছে। এই সময়ে পুঁজির আগ্রাসনে বিশ্বের বাতাস, পানিসহ প্রাণপ্রকৃতি যেভাবে আরও বিপর্যস্ত হয়েছে, যুদ্ধ আর বিষাক্ত অস্ত্রের বিস্তার যেভাবে ঘটেছে, ধর্মীয় ও জাতিগত বিদ্বেষ, সহিংসতা, বৈষম্য যেভাবে বাড়ছে, তাতে এভাবে চললে পৃথিবী ধ্বংস হতে…বিস্তারিত

করোনাকালে নাগরিকদের উদ্যোগ ও উদ্বেগ

সরকার যখন দেশকে ‘স্বাভাবিক’ অবস্থায় নিয়ে যাচ্ছে তখন করোনা রোগে আক্রান্তের হার বৃদ্ধির দিকে, মৃত্যুর হারও বাড়ছে। আক্রান্ত হলে বেশিরভাগ মানুষের চিকিৎসার সুযোগ নেই, বিনা চিকিৎসায় কতজন মরছেন তার হিসাব নেই, স্স্থুতার হার অন্য বহু দেশের তুলনায় অনেক কম। অনাহার-অনিশ্চয়তার ভয় কোটি কোটি মানুষের মধ্যে।যে দেশে ‘স্বাভাবিক’ সময়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের কাজ, শিক্ষা, চিকিৎসা, নিরাপত্তার কোনো নিশ্চয়তা থাকে না, সেখানে করোনা যে সবাইকে মহাসমুদ্রে ফেলে দেবে এটা বিস্ময়কর কিছু নয়। করোনা…বিস্তারিত

করোনাকালে রাষ্ট্র

 করোনাভাইরাস নিয়ে সৃষ্ট সংকট সবার জন্য বিপদ নয়, কারও কারও জন্য অনেক সুবিধাও। যেমন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শাসকদের জন্য কয়েকটি বিষয় খুবই সুবিধাজনক হয়েছে। মহাবিপদের মুখে মানুষ ভাবছে করোনা-পূর্ব অবস্থানে যেতে পারলেই আমরা খুশি। সুতরাং আড়াল হয়ে যাচ্ছে করোনা-পূর্ব কালের রাষ্ট্রের রূপ যার কারণেই আজ এই মহামারী দুর্যোগ আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।আরেকটা সুবিধা হচ্ছে, সরকারও বলতে পারছে যত সংকট সব নিয়ে এসেছে করোনা, আগে আমরা খুবই ভালো করছিলাম। তার ফলে…বিস্তারিত

করোনা সংকট: আশু থেকে দীর্ঘমেয়াদে করণীয়

করোনাসৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকটের বিভিন্ন মাত্রা আছে। এর মোকাবেলায় করণীয়গুলোকে আশু বা স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি, দীর্ঘমেয়াদি এভাবে ভাগ করে কর্মসূচি হাতে নিতে হবে। করোনা শনাক্ত হওয়ার পরই সরকারের আশু করণীয় ছিল ব্যাপকসংখ্যক মানুষের জন্য কয়েক মাসের বেঁচে থাকার অর্থ-সামগ্রী জোগান দেয়ার ব্যবস্থা করা। তিন মাস পরেও সেই কর্মসূচি নেয়া হয়নি। তবে সরকার এবং তার বাইরে বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তি-গোষ্ঠী থেকে এককালীন ত্রাণসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। নভেল করোনাভাইরাসের সংকটের কারণে বিশালসংখ্যক মানুষ কর্মহীন…বিস্তারিত

Page 1 of 28